আজ হঠাৎই এসে গেলাম শান্তিনিকেতনে। কি বা এমন দূর। দুঘণ্টায়ই পৌঁছে গেলাম। আজকে আসার লক্ষ্য অবশ্যই একটা ছিল। সেটা আমার না, কুন্তলার। কলাভবনের নন্দন আর্ট গ্যালারীতে রবীন্দ্রনাথের ৮০টা ছবির প্রদর্শনী চলছে, সেটাতেই তার আকর্ষণ। আমার লক্ষ্য কিছু নেই উপলক্ষ্য সুপ্রচুর। আসলে আমার পথ চলাতেই আনন্দ। প্রথমেই গেলাম লালবাঁধ। বিরাট দীঘি। নেতা ধোবানীর ঘাট। কিন্তু হতাশ হতে হল। কোন ধোবালীর দেখা পেলাম না। লালবাঁধের উল্টোদিকেই প্রখ্যাত শিল্পী সোমনাথ হোড়ের স্টুডিও। অনেক ছবি, আঁকাজোকা। ভালই লাগলো। সেখান থেকে সৃজনী, শিল্পগ্রাম। সামনে পৌষমেলা, তাই চারিদিকে সাজসাজ রব। সৃঞ্জনীও সেজে উঠছে নতুন করে।
এরপরেই তো লাঞ্চ। খাই না খাই, খাওয়াদাওয়ার এলাহি ব্যবস্থা দেখে বেশ পুলক হয়। ইদানীং শান্তিনিকেতনে আমাদের হট ফেভারিট খাবার জায়গা। Oyester, provat Sarani. দারুণ সাজিয়ে গুজিয়ে খুব যত্ন করে খাওয়ায়। আজকের মেনু তাহলে শুনে নিন। গরম ভাতে ঘি, ঝুড়ঝুড়ে আলুভাজা,বেগুনী, সোনামুগের ডাল, ধোকার ডালনা, আলুপোস্ত, এটা বীরভূমের সিগনেচার আইটেম, এরকম আলুপোস্ত আর কোথাও পাবেন না। পোস্তের বড়া পার পিস ৬০/, চাটনী, পাঁপড় আর পেল্লাই সাইজের রসগোল্লা, আর অবশ্যই কচি পাঁঠার ঝোল। একদম দিলখুশ। এরপর কলাভবনে রবী ঠাকুরের ৮০ টা ছবি নিয়ে প্রদর্শনী। ছবি তোলা বারণ। তাই তোলা গেল না।
এবার ষ্টেশনের পথে। মাঝে সর্বমঙ্গলায় থামতেই হলো। নাতি, নাতনীর জন্যে মিষ্টি তো নিতে হবে। লবঙ্গলতিকা, চমচম আর কাঁলাকাদ। আমি অবশ্য খাব না। তবে আপনারা শান্তিনিকেতনে এলে, সর্বমঙ্গলা থেকে অবশ্যই কিনবেন। দারুণ স্বাদ। এখন শান্তিনিকেতন স্টেশনে বসে আছি। ৫-৩৭ এ ট্রেন।























No comments:
Post a Comment